
স্টাফ রিপোর্টার : আশুলিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রুবেল হাওলাদার যোগদানের পর থেকে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একসময় মাদক সিন্ডিকেট, দেহ ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জর্জরিত জামগড়া ও রূপায়ণ এলাকায় এখন নিয়মিত পুলিশি অভিযান ও নজরদারির ফলে অপরাধের লাগাম টানা হয়েছে।
সাধারণ জনগণ জানিয়েছেন, আগে যেখানে সন্ধ্যার পর আতঙ্কে চলাফেরা করা যেত না, সেখানে এখন স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরে এসেছে। এক বাসিন্দা বলেন, “আগে চাঁদাবাজ আর সন্ত্রাসীদের ভয়ে মুখ খুলতে পারতাম না। এখন পুলিশি তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।
ব্যবসায়ীদের মতে, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে আসায় সবচেয়ে বড় স্বস্তি ফিরেছে বাজার ও দোকানপাটে। জামগড়া এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, “নিয়মিত চাঁদা দিতে হতো। না দিলে হুমকি আসত। এখন সেই চাপ নেই। ব্যবসা নিরাপদ মনে হচ্ছে।
গার্মেন্টস কর্মীরাও পরিবর্তনটি স্পষ্টভাবে অনুভব করছেন। এক নারী পোশাক শ্রমিক বলেন, “আগে নাইট শিফট শেষে বাসায় ফিরতে ভয় লাগত। এখন পুলিশের টহল থাকায় আমরা অনেকটাই নিরাপদ বোধ করছি।
পুলিশ সূত্র জানায়, ওসি রুবেল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছেন। মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও চিহ্নিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
সংবাদকর্মীরাও বলছেন, আগের তুলনায় এখন তথ্য পাওয়া ও ঘটনাস্থলে কাজ করা সহজ হয়েছে। এক স্থানীয় সাংবাদিকের ভাষ্য, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় আমরা এখন বেশি নির্ভয়ে রিপোর্টিং করতে পারছি। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ও আগের চেয়ে উন্নত।
সচেতন মহল মনে করছেন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আসায় শুধু ব্যবসায়ী নয়, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষও এখন তুলনামূলক নিরাপদ। তারা চান, এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে অপরাধের পেছনের নেটওয়ার্কগুলো পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া হোক।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ওসি রুবেলের নেতৃত্বে আশুলিয়ায় এই ইতিবাচক পরিবর্তন স্থায়ী রূপ পাবে।