আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবুল কালাম আজাদের কারিশমায় স্থবির পরিষদে কর্মচাঞ্চল্য

প্রকাশিত: ১২:৫৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবুল কালাম আজাদের কারিশমায় স্থবির হওয়া পরিষদে এসেছে কর্মচাঞ্চল বদলে গেছে পরিষদের চেহারা। দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান হীন এই ইউনিয়নের কর্মকান্ড অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছিল। বিগত সময়ে এই ইউনিয়ন পরিষদে সচিবের দায়িত্ব নিয়ে যারাই এসেছে তাদের অদক্ষতা, অসচেতনতা, অনৈতিক কর্মকান্ডের ফলে অসহনীয় দূর্ভোগের শিকার হতে হত এ ইউনিয়ন বাসীর। সামান্য কাজের জন্য দিনের পর দিন পরিষদের আঙ্গিনায় ঘুরেও মিলত না কাঙ্ক্ষিত সেবা।

বিগত বছরের মাঝামাঝিতে ধামসোনা ইউনিয়নের সচিব হিসেবে আবুল কালাম আজাদ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এই পরিষদের কর্মকান্ড গতিশীলতা আসে এবং জনভোগান্তি কমে যায় বলে যানা যায়।

আশুলিয়ার সবচেয়ে বেশি শিল্প কারখানা এই ইউনিয়নে হওয়ার কারণে এই পরিষদের গুরুত্ব অনেক বেশি। শিল্পাঞ্চল এলাকা হওয়ায় এখানে হাজার হাজার বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সেইসব প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়। এর আগে ট্রেড লাইসেন্স নিতে মোটা অংকের টাকা না দিলে ব্যবসায়ীদের নানা রকম হয়রানি শিকার হতে হয়। কিন্তু আবুল কালাম আজাদ এখানে কাজে যোগদানের পর থেকে ব্যবসায়ীদের কোন রকম হয়রানি ছাড়াই মিলছে কাঙ্ক্ষিত ট্রেড লাইসেন্স।

আবুল কালাম আজাদ সচিব হওয়ার পর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের কাজে শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা, গতিশীলতা আসার মূল কারণ তিনি নিজে যেমন নিয়মিত ও সঠিক সময়ে অফিসে আসেন, তেমনি তার অধীনস্থদের সকল প্রকার দায়িত্ব পালনে তাগিদ দেন।

জনবহুল এ ইউনিয়নের হাজার হাজার লোক প্রতিদিন তাদের নানা কাজ নিয়ে আসে তাদের কাজ যতটা সম্ভব হয়রানি ছাড়াই করে দেওয়া হয়। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জনসেবা মূলক কাজের মধ্যে রয়েছে চারিত্রিক সনদপত্র, ভূমিহীন সনদপত্র, ওয়ারিশান সনদপত্র, অবিবাহিত সনদপত্র প্রত্যয়নপত্র, অস্বচ্ছল প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদপত্র, উত্তরাধিকার সনদপত্র ইত্যাদি। এসব কাজ অতি অল্প সময়ের মধ্যে করে দিয়ে বর্তমান সচিব আবুল কালাম আজাদ সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ আস্থার জায়গা করে নিয়েছে বলে জানা গেছে।

অত্র ইউনিয়নের বাসিন্দা সেবা নিতে আসা জমিলা বেগম নামের একজনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, দীর্ঘ দুই বছর যাবৎ আমি একটি কাজ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে ঘুরাঘুরি করি। কোন কাজ হয় না। এই আজাদ স্যার আসার পর তিনি কোন ঝামেলা ছাড়াই আমার কাজ মাত্র ৫ দিনের মধ্যে করে দিছে। আল্লাহ উনার ভালো করুক।

এছাড়াও বহুল প্রচলিত এই সকল সেবাকে জনবান্ধব করার জন্য একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম অত্যাবশ্যকীয় করেছে সরকার। তারি ধারাবাহিকতায় এই ইউনিয়ন পরিষদে অগ্রাধীকার ভিত্তিতে দক্ষ লোক মাধ্যমে সে সকল সেবা প্রদান করা হয়।

দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত সেবাসমূহকে জনগণের কাছে স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে এবং হয়রানিমুক্তভাবে প্রদান নিশ্চিত করার জন্য একটি এ্যাপ্লিকেশন থেকে সকল সেবা প্রদানের নিমিত্ত একটি অনলাইন সিস্টেম কার্যক্রম চালু করা হয়। সেই সকল কাজ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এখান থেকে করা হয়।